বৃহস্পতিবার ২৩ নভেম্বর ২০১৭


মালয়েশিয়া শ্রমিক রপ্তানি
১০২ জন কর্মী নিয়ে প্রথম ফ্লাইট যাচ্ছে আজ


আমাদের অর্থনীতি :
10.03.2017

 

সুজন কৈরী : দীর্ঘ সময় ধরে বন্ধ থাকা মালয়েশিয়ার শ্রম বাজার আবারো খুলছে। ‘জিটুজি প্লাস’ (গভর্নমেন্ট টু গভর্নমেন্ট) পদ্ধতিতে শ্রমিকদের প্রথম গ্রুপে ১০২জন কর্মী আজ শুক্রবার রাতে বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় যাচ্ছেন।  জানা গেছে, এবারই প্রথম জিটুজি পদ্ধতিতে শ্রমিক শুরু হচ্ছে। এর আগে ২০০৭ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত বেসরকারি হিসেবে মোট ১২ লাখেরও বেশি বাংলাদেশি শ্রমিক বৈধভাবে দেশটিতে যান। তবে তখনকার প্রক্রিয়া জিটুজি প্লাস পদ্ধতি ছিল না। মালয়েশিয়াগামী ১০২ জন শ্রমিকের সবাই কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (কেএলআইএ) ‘কার্গো লোডার’ পদে নিয়োগ পেয়েছেন। চলতি মাসে পর্যায়ক্রমে আরও ৩০০ কর্মীর যাওয়ার কথা রয়েছে দেশটিতে। এসব শ্রমিক বিএমইটি থেকে বহির্গমনের স্মার্টকার্ডও পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি তার মিন্টু রোডের বাসভবনে জার্নালিস্টস’ ফোরাম অন মাইগ্রেশন (জেএফএম) নেতৃবৃন্দের সাথে সাক্ষাতকালে বলেন, মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রফতানির প্রথম ফ্লাইটটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করার পর দীর্ঘ  সময় এই প্রক্রিয়া চালু থাকবে। তিনি বলেন, প্রথম পর্যায়ে প্লান্টেশন, ফ্যাক্টরি ও সার্ভিস সেক্টরের জন্য কর্মী পাঠানো হচ্ছে। এরই মধ্যে বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়েছে।  জানা গেছে, গত বুধবার বিএমইটি টেকনিক্যাল প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে (টিটিসি) মালয়েশিয়াগামী ১০২জন কর্মীর ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। এতে বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা থেকে শুরু করে মালয়েশিয়ায় নতুন কর্মস্থল সম্পর্কে একটি সম্যক ধারণা দেয়া হয়। এ গ্রুপে যাওয়া প্রত্যেক কর্মী মাসে ১ হাজার ৫শ’ মালয়েশীয় রিংগিত, যা বাংলাদেশী টাকায় ২৭ হাজার টাকা করে বেতন পাবেন। সবকিছু ঠিক থাকলে আজ রাত সাড়ে ৯টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিজি-০৮৬ ফ্লাইটে ১০২ কর্মী মালয়েশিয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসির মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রফতানির প্রথম ফ্লাইটটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করার কথা রয়েছে।এ প্রসঙ্গে জনশক্তি রফতানিকারকদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সির (বায়রা) মহাসচিব রুহুল আমিন স্বপন জানান, মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিকদের চাহিদা আকাশচুম্বী। সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করা গেলে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে আশীর্বাদ হয়ে দাঁড়াবে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার। তিনি বলেন, ডিজিটাল পদ্ধতিতে যাওয়া কর্মীর জন্য তিন বছর কাজের সুযোগ রাখা হয়েছে।  সম্পাদনা: এনামুল হক