সোমবার ২৫ জুন ২০১৮
  • প্রচ্ছদ » অন্যান্য সংবাদ » ওষুধ শিল্পখাতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির উদ্যোগ এনপিও এবং বিএসপিপি’র মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর


ওষুধ শিল্পখাতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির উদ্যোগ এনপিও এবং বিএসপিপি’র মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর


আমাদের অর্থনীতি :
14.03.2018

 

স্বপ্না চক্রবর্তী : দেশে ওষুধ উৎপাদন বৃদ্ধি, উৎপাদিত ওষুধের গুণগত মানোন্নয়ন এবং এ খাতে রপ্তানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যে যৌথ অংশীদারিত্বে কাজ করতে সম্মত হয়েছে শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও) এবং এবং বাংলাদেশ সোসাইটি ফর ফার্মাসিউটিক্যাল প্রফেশনালস্ (বিএসপিপি)।

গতকাল মঙ্গলবার এ লক্ষ্যে দুই পক্ষের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। শিল্পসচিব মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ্র উপস্থিতিতে সমঝোতা স্মারকে এনপিও’র পক্ষে প্রতিষ্ঠানের পরিচালক এস.এম. আশরাফুজ্জামান এবং বিএসপিপি’র পক্ষে সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক ইশতিয়াক মাহমুদ স্বাক্ষর করেন। শিল্প মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিএসপিপি’র কেন্দ্রিয় কমিটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, ওষুধ শিল্পখাতে উৎপাদনশীলতা বাড়াতে উভয় প্রতিষ্ঠান পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করবে। ওষুধ শিল্প প্রতিষ্ঠানের দক্ষতা বাড়াতে এনপিও এবং বিএসপিপি’র যৌথ উদ্যোগে প্রতি বছর কমপক্ষে ২টি টেকনিক্যাল এক্সপার্ট সার্ভিস প্রোগ্রাম (টিইসি) আয়োজন করা হবে। এ প্রশিক্ষণের ব্যয়ভার বিএসপিপি বহন করবে। এছাড়া, দেশে বিদ্যমান ওষুধ শিল্প কারখানাগুলোর উৎপাদনশীলতা উন্নয়নের লক্ষ্যে বিএসপিপি কেন্দ্রিয়ভাবে প্রতিবছর ন্যূনতম ২টি প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করবে। এসব কর্মশালায় এনপিও প্রয়োজনীয় সম্পদ ব্যক্তি (রিসোর্সপার্সন) প্রেরণ ও কারিগরি সহায়তা দেবে। পাশাপাশি উভয় প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে প্রতিবছর ওষুধ শিল্পখাতের উন্নয়নে কমপক্ষে একটি ডেমো প্রকল্প গ্রহণ করবে। এ প্রকল্প প্রণয়নে এনপিও কারিগরি সহায়তা দেবে। সমঝোতা স্মারকে আরও বলা হয়, উভয় প্রতিষ্ঠান প্রতিবছর যৌথভাবে ২ অক্টোবর জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস উদ্যাপন করবে। এনপিও প্রতিবছর ‘ন্যাশনাল প্রোডাক্টিভিটি অ্যান্ড কোয়ালিটি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’ প্রদানের বিজ্ঞপ্তি যথাসময়ে বিএসপিপি’র কার্যালয়ে প্রেরণ করবে। সে অনুযায়ী বিএসপিপি সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে অবহিত এবং আবেদনে উদ্বুদ্ধ করবে। অনুষ্ঠানে শিল্পসচিব মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ্ এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের উদ্যোগকে ওষুধ শিল্পখাতের উন্নয়নে একটি মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ষোল কোটি জনসংখ্যার বাংলাদেশ দ্রুত অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির মহাসড়ক ধরে এগিয়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে শিল্পখাতসহ সকল সেক্টরে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে এবং বিশ্ব সম্প্রদায় বাংলাদেশের এ গুণগত পরিবর্তনের প্রশংসা করছে। সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের ফলে দেশের ওষুধ শিল্পখাতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির প্রয়াস জোরদার হবে। এ দৃষ্টান্ত অনুসরণ করে অন্যান্যখাতের উদ্যোক্তারাও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ ধরনের উদ্যোগে সামিল হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।