রবিবার ২৪ জুন ২০১৮


রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পদক পেলো ১৩ প্রতিষ্ঠান


আমাদের অর্থনীতি :
23.05.2018

স্বপ্না চক্রবর্তী: জাতীয় অর্থনীতিতে শিল্প খাতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার-২০১৬’ পেল দেশের ১৩টি শিল্প প্রতিষ্ঠান।

গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত ‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার-২০১৬’ প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এসময় রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন তারা। শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পুরস্কার প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো বৃহৎ শিল্প ক্যাটাগরিতে নারায়ণগঞ্জের ফারিহা স্পিনিং মিলস লিমিটেড প্রথম, কেরাণীগঞ্জের স্পেক্ট্রা ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড দ্বিতীয় এবং ময়মনসিংহের এনভয় টেক্সটাইলস লিমিটেড তৃতীয় পুরস্কার পাচ্ছে লাভ করে। মাঝারি শিল্প ক্যাটাগরিতে যথাক্রমে কুষ্টিয়ার বিসিক শিল্প নগরীর বিআরবি পলিমার লিমিটেড, গাজীপুরের চিটাগাং ডেনিম মিলস লিমিটেড ও সাভারের বসুমতি ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেডকে যথাক্রমে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় পুরস্কার দেওয়া হয়। এছাড়া ক্ষুদ্র শিল্প ক্যাটাগরিতে ময়মনসিংহের ভালুকার রানার অটোমোবাইল লিমিটেড প্রথম, গাজীপুরের অকো-টেক্স লিমিটেড দ্বিতীয় এবং সিলেট দক্ষিণ সুরমার মেসার্স আবুল ইন্ডাস্ট্রিজ তৃতীয় পুরস্কার লাভ করে। পাশাপাশি মাইক্রো শিল্পে ঢাকার মোহাম্মদপুরের স্মার্ট লেদার প্রোডাক্টস, ঠাকুরগাঁওয়ের তাঁতীপাড়ার ‘কারুপণ্য’ কুটির শিল্প ক্যাটাগরিতে এবং নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার সুপার স্টার ইলেক্ট্রিক্যাল এক্সেসরিজ লিমিটেড হাইটেক শিল্পে প্রথম ও ঢাকার সার্ভিস ইঞ্জিন লিমিটেড দ্বিতীয় পুরস্কার লাভ করে। অনুষ্ঠানে পুরস্কার বিজয়ীরা রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের কাছ থেকে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে ট্রফি ও সনদপত্র গ্রহণ করেন।

‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার-২০১৬’ এর জন্য মনোনীতদের চূড়ান্ত তালিকা গত ৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ করে শিল্প মন্ত্রণালয়। এবার ছয়টি ক্যাটাগরিতে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। শিল্প মন্ত্রণালয় জানায়, জাতীয় অর্থনীতিতে শিল্প খাতে অবদানের স্বীকৃতি, প্রণোদনা সৃষ্টি এবং সৃজনশীলতাকে উৎসাহিত করতেই সরকার এ পুরস্কার দিচ্ছে। রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে পুরস্কার নেওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় রানার গ্রুপের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান খান বলেন, এক সময় মোটরসাইকেলের পুরোটাই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হতো। এতে বড় অঙ্কের বৈদেশিক মুদ্রা দেশের বাইরে চলে যেত। কিন্তু এরই মধ্যে রানার অটোমোবাইলস্ সহ কয়েকটি স্থানীয় ব্র্যান্ড ২৫ শতাংশের বেশি বাজার প্রায় ইতিমধ্যে দখল করেছে। আরও কয়েকটি বিদেশী ব্র্যান্ড শিগগির উৎপাদনে আসছে। তিনি বলেন, সরকারের পাশাপাশি রানার গ্রুপসহ দেশীয় শিল্পোদ্যোক্তাদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ একদিন মোটরসাইকেল শিল্পের ম্যানুফ্যাকচারিং হাব হবে বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। সম্পাদনা: আনিস রহমান