রবিবার ২৪ জুন ২০১৮
  • প্রচ্ছদ » শেষ পাতা » কেন্দ্রিয় ব্যাংকের কার্যকর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করার দাবি নাগরিক সমাজের


কেন্দ্রিয় ব্যাংকের কার্যকর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করার দাবি নাগরিক সমাজের


আমাদের অর্থনীতি :
14.06.2018

দেবব্রত দত্ত: কেন্দ্রিয় ব্যাংকের কার্যকর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা এবং আর্থিক খাতের সুশাসন নিশ্চিত করার জন্য নাগরিক সমাজের দাবি  বাজেট বাস্তবায়নে ভ্যাট নয়, আয়করই হওয়া উচিত রাজস্ব আয়ের মূল উৎস। বর্তমানে ব্যাংকিং ব্যবস্থাপনার অদক্ষতার সমালোচনা করেন এবং কেন্দ্রিয় ব্যাংকের কার্যকর নিয়ন্ত্রন প্রতিষ্ঠা অর্থপাচার বন্ধ এবং আর্থিক খাতের সুশাসন প্রতিষ্ঠার দাবি করেন ।

গতকাল বুধবার  রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ঘোষিত জাতীয় বাজেট ২০১৮-১৯ উপলক্ষে ২০টিরও বেশি নাগরিক সংগঠন আয়োজিত মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। ইক্যুইটিবিডি’র মানববন্ধন থেকে জাতীয় বাজেট এ রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে ভ্যাট বা মূল্য সংযোজন কর এর উপর চাপ না বাড়িয়ে আয়কর আদাযের উপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন  সংগঠনের মো: আহসানুল করিম কৃষক ফেডারেশনের বদরুল আলম অর্পন এর  কাদের হাজারি, কোস্ট ট্রাস্টের সৈয়দ আমিনুল হক এবং ইক্যুইটিবিডির রেজাউল করিম চৌধুর,  মানব বন্ধনটি সঞ্চালন করেন ইকুইটিবিডি”র মোস্তফা কামাল আকন্দ প্রমূখ।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে কয়েকটি সুপারিশ করা হয়, ১) রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে ভ্যাট ও ব্যক্তিকর আদায়ের উপর চাপ কমিয়ে কর্পোরেট কর আদায় এবং কালো টাকা আদায়ের ব্যবস্থা নিতে হবে। মধ্যবিত্তদের উপর করের বোঝা না চাপিয়ে উচ্চবিত্তদের কাছ থেকে কর আদায় করা। ব্যক্তিশ্রেনীর করমুক্ত আয়সীমা ২,৫০,০০০ টাকা হতে বৃদ্ধি করে ৩,৫০,০০০ এ নিয়ে যাওয়া ২) আর্থিক সেক্টরে সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হাতকে শক্তিশালী করা ৩) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কার্যকর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠাসহ ব্যাংক গুলোকে বাচানোর জন্য শক্তিশালী ও নিরপেক্ষ ব্যাংক কমিশন গঠন, ৪) মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে যেসব বাংলাদেশী নাগরিক নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছে, তাদের সকল অর্থনৈতিক তথ্য পরীক্ষা করে শ্বেতপত্র প্রকাশ করা ৬) রাষ্ট্রায়াত্ত্ব ও বেসরকারি ব্যাংকসহ শেয়ার বাজার কেলেংকারির আত্মসাতকৃত টাকাসহ বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির উপর তদন্ত কমিশন ও শ্বেতপত্র প্রকাশ করা, ৭) সংঘাতপূর্ণ রাজনীতির অপরিহার্য অংশ গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিশেষ করে গণমাধ্যম, নির্বাচন কমিশন, স্থানীয় সরকার, দুর্নীতি দমন কমিশন, স্বাধীন ও শক্তিশালীভাবে কাজ করার সুযোগ দিয়ে আইনের শাসন কায়েম করতে হবে।