আড়পাড়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ফাঁটল

    রক্সী খান, মাগুরা : জেলার শালিখা উপজেলা সদরের আড়পাড়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের দুইটি ভবণে ফাটল দেখা দিয়েছে। বিদ্যালয়টি ফাঁটল দেখা দিলেও এখন পর্যন্ত সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কোন প্রকার সহায়তা পাওয়া যায়নি বলে বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়।
    শিক্ষার মান উন্নয়নে আড়পাড়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ১৯৭৪ সাল থেকে শুরু হয়ে ২০১৬ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ৫২ বছর যাবৎ উপজেলার কয়েকটি বিদ্যালয়ের মধ্যে ভাল ফলাফল করে আসছে। বিদ্যালয়টিতে বর্তমান শিক্ষার্থী ৩৫০ জন রয়েছে। ১৩ জন শিক্ষক ও ৪ জন কর্মচারী নিয়মিত অক্লান্ত পরিশ্রম ও মেধার বিকাশ ঘটিয়ে সকল বোর্ড পরীক্ষার ভাল ফলাফল দেখাতে সক্ষম হয়েছেন। বিদ্যালটিতে ৫টি ভবন এর দুইটি ভবনে ব্যাপকভাবে ফাটল ধরেছে। ফলে নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে।
    ভবনটিতে এমন ভাবে ফাটল ধরেছে যে কোন সময় ভেঙ্গে পড়ার আশংকা রয়েছে। বিদ্যালয়টির নির্মাণকালে নি¤œমানের সামগ্রী ব্যাবহার করায় ভবণে এ ফাটলের সৃষ্টি হয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে। ফলে একদিকে শিক্ষার্থীরা আতংকে রয়েছে। অন্য দিকে শিক্ষকদের ক্লাস নিতে নিরাপত্তার অভাব বোধ করছেন। স্কুলটির শ্রেণী কক্ষ সংকট থাকায় পরীক্ষা নিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে শিক্ষকদের। বিদ্যালয়ে শুধু মাত্র ৮টি শ্রেণী কক্ষ থাকায় শিক্ষার্থীদের অন্যত্র দাড়িয়ে দাঁড়িয়ে ক্লাস করতে হয়। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের তুলনায় শ্রেণী কক্ষ কম হওয়ায় শিক্ষকদের পাঠদান ব্যাপকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বিদ্যালয়টিতে ২০১৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় ৭১ জন পরীক্ষা দিয়ে ৬৩ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ন হয়েছে। পাশের হার ৮৮.৭৩ শতাংশ। জেএসসি পরীক্ষায় প্রায় শত ভাগ পাস করেছে বলে জানাযায়। এর মধ্যে জুনিয়র বৃত্তি পেয়েছে ৪ জন শিক্ষার্থী। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবুল হোসেন সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন, স্কুল ম্যানেজিং কমিটি শিক্ষক বৃন্দ ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ আরো সচেতন হলে বিদ্যালয়টি আরো ভাল রেজাল্ট করা সম্ভব হত।
    তিনি আরো বলেন, বিদ্যালয়টির উন্নয়নের ক্ষেত্রে সরকারের ঊর্ধ্বতনকর্তৃ পক্ষের সাহায্য ও সহযোগিতা দরকার। বিদ্যালয়ে ছোট ছোট ৫টি ভবণের মধ্যে দুইটি ভবণ ফাটল থাকায় ভবণ দুইটিতে ক্লাস করা দুস্কর হয়ে পড়েছে। সল্প সময়ের মধ্যে ভবণ ভেঙ্গে নতুন ভবণ করা না হলে শিক্ষার্থীদের পাঠ দান যেমন ব্যাহত হচ্ছে,তেমনই এসএসসি ও জেএসসি পরীক্ষার সময় পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা নিতে হিমশিম খেতে হবে। শালিখার আড়পাড়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ফাঁটল
    রক্সী খান, মাগুরা : জেলার শালিখা উপজেলা সদরের আড়পাড়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের দুইটি ভবণে ফাটল দেখা দিয়েছে। বিদ্যালয়টি ফাঁটল দেখা দিলেও এখন পর্যন্ত সরকারের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কোন প্রকার সহায়তা পাওয়া যায়নি বলে বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়।
    শিক্ষার মান উন্নয়নে আড়পাড়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ১৯৭৪ সাল থেকে শুরু হয়ে ২০১৬ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ৫২ বছর যাবৎ উপজেলার কয়েকটি বিদ্যালয়ের মধ্যে ভাল ফলাফল করে আসছে। বিদ্যালয়টিতে বর্তমান শিক্ষার্থী ৩৫০ জন রয়েছে। ১৩ জন শিক্ষক ও ৪জন কর্মচারী নিয়মিত অক্লান্ত পরিশ্রম ও মেধার বিকাশ ঘটিয়ে সকল বোর্ড পরীক্ষার ভাল ফলাফল দেখাতে সক্ষম হয়েছেন। বিদ্যালটিতে ৫টি ভবন এর দুইটি ভবণে ব্যাপক ভাবে ফাটল ধরেছে। ফলে নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। ভবনটিতে এমন ভাবে ফাটল ধরেছে যে কোন সময় ভেঙ্গে পড়ার আশংকা রয়েছে। বিদ্যালয়টির নির্মাণ কালে নি¤œমানের সামগ্রী ব্যাবহার করায় ভবণে এ ফাটলের সৃষ্টি হয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে। ফলে একদিকে শিক্ষার্থীরা আতংকে রয়েছে। অন্য দিকে শিক্ষকদের ক্লাস নিতে নিরাপত্তার অভাব বোধ করছেন। স্কুলটির শ্রেণী কক্ষ সংকট থাকায় পরীক্ষা নিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে শিক্ষকদের। বিদ্যালয়ে শুধু মাত্র ৮টি শ্রেণী কক্ষ থাকায় শিক্ষার্থীদের অন্যত্র দাড়িয়ে দাঁড়িয়ে ক্লাস করতে হয়। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের তুলনায় শ্রেণী কক্ষ কম হওয়ায় শিক্ষকদের পাঠদান ব্যাপকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বিদ্যালয়টিতে ২০১৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় ৭১ জন পরীক্ষা দিয়ে ৬৩ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ন হয়েছে। পাশের হার ৮৮.৭৩ শতাংশ। জেএসসি পরীক্ষায় প্রায় শত ভাগ পাস করেছে বলে জানাযায়। এর মধ্যে জুনিয়র বৃত্তি পেয়েছে ৪ জন শিক্ষার্থী। এব্যাপারে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবুল হোসেন সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন, স্কুল ম্যানেজিং কমিটি শিক্ষক বৃন্দ ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তি বর্গ আরো সচেতন হলে বিদ্যালয়টি আরো ভাল রেজাল্ট করা সম্ভব হত। তিনি আরো বলেন, বিদ্যালয়টির উন্নয়নের ক্ষেত্রে সরকারের ঊর্ধ্বতনকর্তৃ পক্ষের সাহায্য ও সহযোগিতা দরকার। বিদ্যালয়ে ছোট ছোট ৫টি ভবণের মধ্যে দুইটি ভবণ ফাটল থাকায় ভবণ দুইটিতে ক্লাস করা দুস্কর হয়ে পড়েছে। সল্প সময়ের মধ্যে ভবণ ভেঙ্গে নতুন ভবণ করা না হলে শিক্ষার্থীদের পাঠ দান যেমন ব্যাহত হচ্ছে,তেমনই এসএসসি ও জেএসসি পরীক্ষার সময় পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা নিতে হিমশিম খেতে হবে।

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *