হাসান আরিফ : গত সপ্তাহের লেনদেনে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ৫৯ শতাংশ কোম্পানির শেয়ারের দরপতন হয়েছে। এ সময় লেনদেন হওয়া ৩২৬টি কোম্পানির মধ্যে ১৯২টি’র দরপতন হয়েছে। এ ছাড়া দর বেড়েছে ১১০টি’র ও অপরিবর্তিত রয়েছে ২৪টি’র। ডিএসই’র ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ডিএসই’র প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স গত সপ্তাহের (১২ থেকে ১৬ জুন) লেনদেনে সামান্য পতন হয়েছে। এ সময় ডিএসইএক্স ২৩.৭১ পয়েন্ট বা .৫৪ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৪৩৯৫.২৮ পয়েন্টে। এ ছাড়া গত সপ্তাহে ডিএসই-৩০ সূচক ৮.৭৭ পয়েন্ট ও ডিএসই শরিয়াহ সূচক ২.০৬ পয়েন্ট কমেছে। এদিকে সব ধরনের সূচকে পতন হলেও ডিএসইতে ১৪.২৬ শতাংশ আর্থিক লেনদেনের পরিমাণ বেড়েছে।
গত সপ্তাহে ৫ কার্যদিবসে ডিএসইতে আর্থিক লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৯৭১ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। দৈনিক গড় হিসাবে এ লেনদেনের পরিমাণ ৩৯৪ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। এর আগের সপ্তাহের ৫ কার্যদিবসে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ৭২৫ কোটি ৭৮ লাখ টাকা এবং গড় লেনদেন হয়েছিল ৩৪৫ কোটি ১৬ লাখ টাকা।
মোট লেনদেনের ৮৫.৩৬ শতাংশ ‘এ’ ক্যাটাগরিভুক্ত, ১.০২ শতাংশ ‘বি’ ক্যাটাগরিভুক্ত, ১৩.১৫ শতাংশ ‘এন’ ক্যাটাগরিভুক্ত এবং ০.৪৭ শতাংশ ‘জেড’ ক্যাটাগরিভুক্ত কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের মধ্যে লেনদেন হয়েছে।
গত সপ্তাহের লেনদেনে ডিএসই’র মূল্য-আয় (পিই) অনুপাত কমেছে ০.১৯ শতাংশ। সপ্তাহের শুরুতে পিই ছিল ১৪.৪০। যা ০.০৩ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৪.৩৭ পয়েন্টে। এ সময়ে বাজার মূলধন কমেছে ০.৪২ শতাংশ। সপ্তাহের শুরুতে ডিএসই’র বাজার মূলধন ছিল ৩ লাখ ১৩ হাজার ৭৪৬ কোটি টাকা। সপ্তাহের শেষে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ১২ হাজার ৪২৪ কোটি টাকায়।
সপ্তাহজুড়ে লেনদেন হওয়া ইস্যুগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে একমি ল্যাবরেটরিজের শেয়ার। এ সময়ে কোম্পানিটির ১৭১ কোটি ৯০ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা গত সপ্তাহের মোট লেনদেনের ৮.৭২ শতাংশ। দ্বিতীয় স্থানে থাকা বিএসআরএম লিমিটেডের লেনদেন হয়েছে ৭২ কোটি ৬১ লাখ টাকা, যা সপ্তাহের মোট লেনদেনের ৩.৬৮ শতাংশ। ৬০ কোটি ৪৯ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনে তৃতীয় স্থানে রয়েছে আমান ফিড।
লেনদেনে এরপর রয়েছে যথাক্রমে- লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, শাহজিবাজার পাওয়ার, অলিম্পিক এক্সেসরিজ, বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেম, লিন্ডে বিডি, কাশেম ড্রাইসেল, স্কয়ার ফার্মা।